Memorial Tournament 2026 payout: Full purse for field at Muirfield Village

· Yahoo Sports

The PGA Tour is rolling along, landing in Ohio this week for the Memorial Tournament.

Visit lebandit.lat for more information.

There's a sizeable purse available and sure to be some movement on the Tour's money list.

Let's take a look at all things money this week.

Who won the 2025 Memorial Tournament?

Scottie Scheffler won the Memorial Tournament last year.

What's the total purse for the 2026 Memorial Tournament?

The total purse is $20 million.

How much money does the winner make at the 2026 Memorial Tournament

The winner of the Memorial Tournament will take home $4 million.

2026 Memorial Tournament prize money payouts

1$4,000,000.002$2,200,000.003$1,400,000.004$1,000,000.005$840,000.006$760,000.007$700,000.008$646,000.009$600,000.0010$556,000.0011$514,000.0012$472,000.0013$430,000.0014$389,000.0015$369,000.0016$349,000.0017$329,000.0018$309,000.0019$289,000.0020$269,000.0021$250,000.0022$233,000.0023$216,000.0024$200,000.0025$184,000.0026$168,000.0027$161,000.0028$154,000.0029$147,000.0030$140,000.0031$133,000.0032$126,000.0033$119,000.0034$114,000.0035$109,000.0036$104,000.0037$99,000.0038$94,000.0039$90,000.0040$86,000.0041$82,000.0042$78,000.0043$74,000.0044$70,000.0045$66,000.0046$62,000.0047$58,000.0048$56,000.0049$54,000.0050$52,000.0051$51,000.0052$50,000.0053$49,000.0054$48,000.0055$47,000.0056$46,000.0057$45,000.0058$44,000.0059$43,000.0060$42,000.0061$41,000.0062$40,000.0063$39,000.0064$38,000.0065$37,000.0066$36,000.0067$35,000.0068$34,000.0069$33,000.0070$32,000.0071$31,000.0072$30,000.00

This article originally appeared on Florida Times-Union: Memorial Tournament purse, payout: 2026 prize money for PGA Tour event

Leggi l'articolo completo alla fonte

মনোযোগহীন প্রজন্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ

· Prothom Alo

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা আজ এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি, তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার—অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর মনোযোগহীনতা, অধ্যয়নবিমুখতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি এবং চিন্তাশক্তির ক্রমাবনতি। ক্যাম্পাসগুলোয় এখন বইয়ের গন্ধের চেয়ে বেশি দেখা যায় স্মার্টফোনের আলো; পাঠাগারের নীরবতার চেয়ে বেশি শোনা যায় রিলস, শর্ট ভিডিও এবং ট্রেন্ডিং গানের শব্দ। যেন জ্ঞানচর্চার জায়গা ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে এক অনবরত বিনোদনকেন্দ্রে।

Visit sportbet.rodeo for more information.

একসময় বিশ্ববিদ্যালয় মানে ছিল মুক্তবুদ্ধির চর্চা, রাতভর লাইব্রেরিতে বসে গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর তর্ক, বইয়ের নোটে ভরা টেবিল এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন। এখন অনেক ক্ষেত্রেই সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে ‘স্ট্যাটাস আপলোড’, ‘রিঅ্যাকশন দেওয়া’, ‘ফ্ল্যাশ মব’, ‘সেলফি কালচার’, ‘ট্রিট’, ‘পার্টি’ এবং ভার্চ্যুয়াল জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতা। একজন শিক্ষার্থী কতটি বই পড়েছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সে কতটি ছবি আপলোড করেছে, তার নিজের ইউটিউব চ্যানেল আছে কি না, তার ফলোয়ার কতজন কিংবা তার পোস্টে কতটি লাইক এসেছে। এই বাস্তবতা শুধু সামাজিক পরিবর্তনের চিহ্ন নয়; এটি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যতের জন্য এক গভীর সতর্কসংকেত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: মনোযোগ অর্থনীতির ফাঁদ

আজকের শিক্ষার্থীরা এমন এক ডিজিটাল পরিবেশে বেড়ে উঠছে, যেখানে মানুষের মনোযোগই সবচেয়ে বড় পণ্য। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ইউটিউব—সব প্ল্যাটফর্ম এমনভাবে নির্মিত, যাতে ব্যবহারকারী বেশি সময় ধরে স্ক্রিনে থাকে। অ্যালগরিদম তাদের চিন্তা, আবেগ ও সময়কে নিয়ন্ত্রণ করে। এক ভিডিও শেষ হওয়ার আগেই আরেকটি চলে আসে; এক পোস্টের পর আরেক পোস্ট। ফলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা হারাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখন অনেকেই ৫ মিনিটের বেশি একটি দীর্ঘ লেখা পড়তে অস্বস্তি বোধ করে। পাঠ্যবইয়ের কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই তারা ফোন হাতে নেয়। তারা ‘স্ক্রলিংয়ে অভ্যস্ত, স্টাডিতে নয়। জ্ঞান এখন তাদের কাছে গভীর অনুসন্ধানের বিষয় নয়; বরং দ্রুত গ্রহণযোগ্য ছোট ছোট তথ্যখণ্ডের সমষ্টি। ফলে তৈরি হচ্ছে এক ‘সারফেস নলেজ জেনারেশন’—যারা অনেক কিছু দেখে, কিন্তু খুব কম বোঝে; অনেক কিছু শোনে, কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করে না।

পাঠ্যবই থেকে দূরে সরে যাওয়া

বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন এমন শিক্ষার্থী পাওয়া যায়, যারা পুরো সেমিস্টার পার করে দেয় একটি মূল বইও না পড়ে। পরীক্ষার আগে ‘সাজেশন’, ‘পিডিএফ’, ‘শর্ট নোট’, ‘পিপিটি স্লাইডস’, চ্যাটজিপিটি কিংবা ইউটিউব ভিডিওর ওপর নির্ভর করে তারা কোনোমতে পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাঠ্যবই পড়া যেন তাদের কাছে অপ্রয়োজনীয় কষ্টকর কাজ। কিন্তু বই পড়া তো শুধু তথ্য সংগ্রহের জন্য নয়; এটি মানুষের বিশ্লেষণী ক্ষমতা, ধৈর্য, কল্পনাশক্তি এবং ভাষাগত দক্ষতা গড়ে তোলে। একটি বইয়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানো মানে নিজের চিন্তার ভেতরে প্রবেশ করা। আজকের শিক্ষার্থীরা সেই ধৈর্য হারাচ্ছে। তারা দ্রুত ফল চায়, কিন্তু গভীর প্রস্তুতি নিতে চায় না।

এই প্রবণতা দীর্ঘ মেয়াদে ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, কোনো জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি তৈরি হয় তার পাঠাভ্যাসের ওপর। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই বই থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আগামী দিনের গবেষণা, উদ্ভাবন ও নীতিনির্ধারণ কতটা শক্তিশালী হবে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সহায়ক, না মানসিক অলসতার কারখানা?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিঃসন্দেহে মানবসভ্যতার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। এটি গবেষণা সহজ করছে, তথ্য বিশ্লেষণ দ্রুত করছে, শিক্ষা আরও উন্মুক্ত করছে। কিন্তু বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এআই হয়ে উঠছে ‘বুদ্ধির বিকল্প’, ‘সহযোগী’ নয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা শিক্ষকের নির্দেশনার চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নানা রকম অ্যাপকে বেশি প্রয়োজনীয় মনে করে।

এখন অনেক বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী নিজেরা খেটে একটি অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে চায় না। তারা প্রশ্নটি এআই দিয়ে উৎপাদিত পুরো উত্তর কপি করে জমা দেয়। কেউ কেউ আবার সেটি নিজেও পড়ে দেখে না। ফলে তারা জানতেই পারে না, আসলে কী শিখছে। চিন্তা, বিশ্লেষণ, যুক্তি নির্মাণ—এসব মানসিক শ্রমের জায়গা দখল করছে ‘কপি-পেস্ট সংস্কৃতি’। এটি শুধু একাডেমিক অসততা নয়; এটি বুদ্ধিবৃত্তিক আত্মহত্যা।

মানুষের মস্তিষ্ক ব্যবহারের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়। যেমন শরীরচর্চা না করলে পেশি দুর্বল হয়, তেমনি চিন্তাচর্চা না করলে মস্তিষ্কও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদি শিক্ষার্থীরা প্রতিটি ছোট কাজে এআইয়ের ওপর নির্ভর করতে থাকে, তবে একসময় তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে ভাবতে অক্ষম হয়ে পড়বে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—অনেক শিক্ষার্থী এখন ‘কীভাবে চিন্তা করতে হয়’, তা শেখার বদলে ‘কীভাবে দ্রুত উত্তর পেতে হয়’ সেটি শিখছে।

আনন্দের সংস্কৃতি বনাম পরিশ্রমের সংস্কৃতি

বর্তমান ক্যাম্পাস সংস্কৃতিতে ‘ফান’ যেন একধরনের বাধ্যতামূলক সামাজিক পরিচয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন আড্ডা, পার্টি, ট্যুর, ট্রিট, অনুষ্ঠান, ফ্ল্যাশ মব—এসবের মধ্যে নিজেকে সক্রিয় না রাখলে অনেকেই মনে করে সে ‘আউটডেটেড’ বা ‘বোরিং’। ফলে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে এমন এক মানসিকতায় অভ্যস্ত হচ্ছে, যেখানে জীবনের মূল উদ্দেশ্য পরিশ্রম নয়, বরং অবিরাম বিনোদন। অথচ ইতিহাস বলে, বড় অর্জনের পেছনে থাকে দীর্ঘ একাকিত্ব, কঠোর অধ্যবসায় এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ। বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, দার্শনিক কিংবা উদ্ভাবকেরা কখনোই ‘ডোপামিন-চালিত’ জীবনে মহৎ কাজ করতে পারেননি।

আজকের অনেক তরুণ ‘হার্ড ওয়ার্ক’ শব্দটিকেই অপছন্দ করে। তারা দ্রুত সাফল্য চায়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিতে আগ্রহী নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাদের সামনে এমন এক কৃত্রিম বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে সবাই সফল, সুন্দর, আনন্দিত ও জনপ্রিয়। ফলে বাস্তব জীবনের সংগ্রামকে তারা অপ্রয়োজনীয় মনে করতে শুরু করেছে।

সীমিত মনোযোগের ভয়াবহ ভবিষ্যৎ

মনোযোগ মানবসভ্যতার সবচেয়ে মূল্যবান মানসিক সম্পদ। যে জাতি মনোযোগ হারায়, সে জাতি ধীরে ধীরে সৃজনশীলতা হারায়। বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় সংকট সম্ভবত ‘অ্যাটেনশন ক্রাইসিস’। আজকের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অনেক কিছু করতে চায়—ভিডিও দেখতে দেখতে পড়া, গান শুনতে শুনতে অ্যাসাইনমেন্ট, চ্যাট করতে করতে ক্লাস। কিন্তু স্নায়ুবিজ্ঞান বলে, মানুষের মস্তিষ্ক প্রকৃতপক্ষে মাল্টিটাস্কিংয়ে দক্ষ নয়। এতে মনোযোগ ভেঙে যায়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং গভীর চিন্তা বাধাগ্রস্ত হয়।

যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে আগামী দশকে আমরা এমন এক কর্মশক্তি পাব, যারা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে পারবে, কিন্তু গভীর সমস্যা সমাধান করতে পারবে না; যারা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে, কিন্তু নতুন ধারণা সৃষ্টি করতে পারবে না। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি ভয়াবহ ঝুঁকি। কারণ, ভবিষ্যতের বিশ্বে শুধু শ্রম নয়, ‘ডিপ থিঙ্কিং’, উদ্ভাবন এবং মানসিক সক্ষমতাই হবে সবচেয়ে বড় সম্পদ।

বিশ্ববিদ্যালয় কি শুধুই সার্টিফিকেট কারখানা হয়ে যাচ্ছে?

আরেকটি কঠিন সত্য হলো—অনেক শিক্ষার্থীর কাছে এখন বিশ্ববিদ্যালয় মানে কেবল একটি ডিগ্রি অর্জনের জায়গা। জ্ঞান নয়, চাকরি; চিন্তা নয়, সিজিপিএ; গবেষণা নয়, নেটওয়ার্কিং—এসবই হয়ে উঠছে প্রধান লক্ষ্য। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একধরনের বাণিজ্যিক মনোভাব তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ‘কী শিখলাম’ তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ‘কীভাবে দ্রুত পাস করলাম’। শিক্ষকেরা অনেক সময় কঠোর একাডেমিক চর্চার পরিবর্তে সহজ পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। এই বাস্তবতা চলতে থাকলে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা হয়তো সংখ্যায় বড় হবে, কিন্তু মানে দুর্বল হয়ে পড়বে।

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: এক ভয়াবহ সম্ভাবনা

কল্পনা করুন, ২০৪০ সালের বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। কিন্তু তাদের বড় অংশই দীর্ঘ লেখা পড়তে পারে না, স্বাধীনভাবে বিশ্লেষণ করতে পারে না, জটিল সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তারা এআই ছাড়া রিপোর্ট লিখতে পারে না, বই পড়তে ধৈর্য ধরে না, গবেষণার প্রতি আগ্রহী নয়। তখন কী হবে?

বিদেশি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো হয়তো বাংলাদেশকে শুধু ‘ভোক্তাবাজার’ হিসেবে ব্যবহার করবে। আমাদের তরুণেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, কিন্তু প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবে না। আমরা হয়তো ডিজিটালভাবে সংযুক্ত থাকব, কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ব। এভাবে জাতির চিন্তাশক্তি যদি দুর্বল হয়ে যায়, তবে অর্থনৈতিক উন্নয়নও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কারণ, উন্নত জাতি শুধু অবকাঠামো দিয়ে তৈরি হয় না; তৈরি হয় মননশীল মানুষ দিয়ে।

সমাধান কোথায়?

সমস্যার সমাধান প্রযুক্তিবিরোধিতা নয়। এআই কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করেও লাভ হবে না। বরং প্রয়োজন ‘ডিজিটাল ডিসিপ্লিন’ এবং ‘বুদ্ধিবৃত্তিক সংস্কৃতি’ গড়ে তোলা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। লাইব্রেরি সংস্কৃতিকে পুনর্জীবিত করতে হবে। অ্যাসাইনমেন্ট এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে শুধু এআই ব্যবহার করে পাস করা না যায়। মৌলিক চিন্তা, গবেষণা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ—এসবকে মূল্যায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে।

এ ক্ষেত্রে পরিবারেরও ভূমিকা আছে। সন্তানকে শুধু ‘ডিজিটাল ডিভাইস’ দিয়ে ছেড়ে দিলে হবে না; তাকে বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে, একাকী চিন্তার মূল্য শেখাতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, তরুণদের বুঝতে হবে—এআই কখনো মানুষের বিকল্প নয়। প্রযুক্তি একটি যন্ত্র; চিন্তা করার ক্ষমতা মানুষের নিজস্ব শক্তি। যে জাতি নিজের মস্তিষ্ক ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয়, সে জাতি একসময় অন্যের প্রযুক্তির দাসে পরিণত হয়।

পরিশেষে, বাংলাদেশের বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থীরা এক ভয়ংকর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা আগের যেকোনো প্রজন্মের চেয়ে বেশি সংযুক্ত, কিন্তু সম্ভবত কম মনোযোগী; বেশি তথ্যসমৃদ্ধ, কিন্তু কম চিন্তাশীল; বেশি প্রযুক্তিনির্ভর, কিন্তু কম আত্মনির্ভর। এটি শুধু শিক্ষার সংকট নয়; এটি ভবিষ্যৎ সভ্যতার সংকট।

আমরা যদি মনোযোগ, পাঠাভ্যাস, পরিশ্রম এবং মৌলিক চিন্তার সংস্কৃতি পুনর্গঠন করতে না পারি, তবে আগামী দিনের বাংলাদেশ হয়তো প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারবে না। একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ তার তরুণ সমাজ। সেই তরুণ সমাজ যদি বইয়ের বদলে শুধু স্ক্রিনে ডুবে থাকে, চিন্তার বদলে শুধু প্রতিক্রিয়া দিতে শেখে এবং অধ্যবসায়ের বদলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শর্টকাটে বিশ্বাস করে—তবে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হয়তো অর্থনৈতিক নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক হবে।

ড. সেলিম রেজা সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক ও গবেষক, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

*মতামত লেখকের নিজস্ব

Leggi l'articolo completo alla fonte

Zay Flowers shares his thoughts on Browns trading Myles Garrett

· Yahoo Sports

Upon hearing the news about Myles Garrett, many reacted with a strange combination of fear and relief. There's no other way to put it. For a brief second, thoughts were juggled about how dangerous Garrett and Jared Verse would be as a tandem. Then, we all dug a little deeper.

Visit bettingx.bond for more information.

Verse was part of the trade package that sent Garrett from the Cleveland Browns to the Los Angeles Rams. Whew… That was close. No one was ever going to be able to stop L.A.'s pass rush with those two monsters together. Then came the angle relative to the Baltimore Ravens.

Garrett is finally out of the AFC North! Oh come on! You know you cracked a smile. Following an OTA practice session that was open to the Baltimore media, Zay Flowers took some time to wipe the sweat from his brow.

Most Ravens fans can relate. Something isn't being talked about enough, though. Jared Verse isn't some slouch. Sure, the Browns no longer have the game's best defensive player on their roster, but by moving him, they added the guy who is very capable of taking that title from him at some point.

Cleveland also added draft capital to help them continue building their roster. In addition to Verse, they receive a 2027 first-round pick, a 2028 second-round pick, and a 2029 third-round pick. That's a nice haul. If they hit the target with those choices. They can certainly continue upgrading their roster.

So, yes. Garrett is gone, and Flowers is right. The rest of the AFC North probably breathed a collective sigh of relief when the trade became official. That's understandable. Garrett is a future Hall of Famer and arguably the most feared defensive player of his generation.

What shouldn't be overlooked, however, is what Cleveland received in return. Jared Verse isn't a consolation prize. He's the 2024 Defensive Rookie of the Year candidate, a rising star, and a two-time Pro Bowler. He's exactly the type of player capable of becoming one of the NFL's premier pass rushers in his own right.

Add the draft capital the Browns acquired, and this deal may look far different three years from now than it does today (and it looks good right now). The Ravens, Cincinnati Bengals, and Pittsburgh Steelers no longer have to worry about Myles Garrett twice a year. They may soon discover they simply exchanged one headache for another.

The nightmares aren't over. They've simply traded Jason Voorhees for Freddy Krueger in a sense. Verse is a younger version of the same problem. Garrett's departure may have ended one era of AFC North dominance, but Jared Verse has all the tools necessary to begin another.

This article originally appeared on Ravens Wire: Zay Flowers shares his thoughts on Browns' Myles Garrett trade

Leggi l'articolo completo alla fonte